নবীনগরে একদিন

নবীনগরে একদিন
প্রায় বছর তিনেক আগে স্মৃতি-সৌধ দেখার জন্য গিয়েছিলাম নবীনগর।আমি, আমার ছোট ভাই ও আমাদের এলাকার বড় একটা ভাই।আমরা গিয়েছিলাম ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিকে।প্রথম এবারই গিয়েছিলাম।গাজীপুর এর কোনাবাড়ী থেকে একটা লোকাল বাসে উটলাম।কোন রকমে কষ্ট করে নবীনগরে পৌঁছালাম।
তখন অবশ্য দুপুর হয়ে গিয়েছে।প্রাচীরের ভিতরে প্রবেশ করলাম।কি? মোনরম পরিবেশ আগে কল্পনা করতে পারি নাই।যাই হোক আগে গন্তব্য স্মৃতিসৌধ দেখার।স্মৃতিসৌধের সামনে যেতেই অবাক হলাম সুইমিংপুল দেখে। পুরা স্মৃতিসৌধটা এর মধ্য এত আকষর্নীয় ভাবে ফুটে উটেছে ভাবতে অবাক লাগে।সৃর্যে কিরণে আলোকিত হয়েছে উটেছে।
আমার স্মৃতিসৌধর কাছে গেলাম,অবশ্য স্মৃতিসৌধের চারপাশে উচু স্থানটি রয়েছে তাতে উটা নিষেধ। তাই একবারে কাছে যেতে পারলাম না,বলেই হয়তো কষ্ট পেয়েছিলাম।তাই যতটুকু কাছে যেতে পারলাম সেখান থেকেই ছবি তুলতে ব্যস্ত থাকলাম।
কিছু কথা না বললেই নয়-
এটি জাতীয় শহীদদের স্মরণে ১৯৭৮ সালে নির্মাণ শুরু হয়ে ১৯৮২ সালে  নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়। এর উচ্চতা১৫০ ফুট বা ৪৬ মিটার।
নকশা এবং নির্মান ও স্থপতিত করেন সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
স্মৃতিসৌধ-MrTuhin
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ.
চারপাশ-টা ঘুরে দেখলাম। অনেক ভাল লাগল।
সকল শহীদের প্রতি ভালবাসা রইল।
আপনারা সময় পেলে ঘুরে আসবেন স্মৃতি-সৌধ
ধন্যবাদ
আমার ব্লগ সাইট- www.mrtuhin.net
আমি তুহিন মিয়া-
MrTuhin
Previous Post
Next Post
আমি তুহিন মিয়া।
অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। বাংলা সাহিত্য।
শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলি সরকারি কলেজ, গাজীপুর।
ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত দিন

1 Post a Comment:

Mr. Tuhin