শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০১৯

পাখি নড়বড়ে গাছের ডালকে না বিশ্বাস করে তার দুটো পাখাকে.


পাখি নড়বড়ে গাছের ডালকে না বিশ্বাস করে তার দুটো পাখাকে.

আমরা কোন কাজ শুরু করলে কেউ যদি আমাদেরকে সাহায্য করে তাহলে আমরা তার মাথায় উটে বসি। আমাদের কাজটা তাকে দিয়ে করিয়ে নিতে পছন্দ করি।কিন্তু কেন? যদি সে কাজটার কোথাও ভূল করে থাকে তাহলে সমস্যাটা কার হবে তোমার না যার সাহায্য নিয়েছো।
তোমার ভাগ্য তোমাকেই বদলাতে হবে। অন্য কেউ তোমার ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবে না।নিজের ইচ্ছাশক্তি দিয়ে কাজ কর।
এজন্য বিল গেটস বলেছিলেন-
পরিক্ষার খাতার কয়েকটা পাতা তোমার ভাগ্য বদলাতে পারবে না

আমরা একটুতে হতাশ হয়ে পড়ি।বলতে থাকি এটা আমাকে দিয়ে হবে না।কেন হবে না নিজেকে প্রশ্ন কর উত্তরটা পেয়ে যাবে।আগে সেটা সমাধান করে পুনরায় শুরু কর।
সর্বদা যেখনো কাজ তোমার ১০০% দিয়ে করবে।যদি তুমি ১০০% দিয়ে কোন কাজ করতে না পারো তবে সে কাজে যেওনা।কারন তোমাকে দিয়ে সেটা হবে না।তুমি আত্মবিশ্বাস রাখতে পারছো না। তাই তুমি তোমার ১০০% দিয়ে কাজটা করতেছো না।

যে কাজ করবে সেই কাজটার উপর আগে তোমার আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করতে হবে। নতুবা তুমি বিফল হবে।নিজেকে বিশ্বাস করতে হবে এটা আমাকে দিয়ে হবে।

মনে রাখবে-
পাখি যখন গাছের পাতায় বসে পাতাসহ ডাল একটুতে নড়তে থাকে তাতে পাখি কিছু ভাবে না।কারণ যত সমস্যাই হোক না কেন তার সমস্যা হবে না। কারণ সে তার পাখাকে বিশ্বাস করে।
সবার আগে নিজেকে বিশ্বাস করতে হবে তবে আমাদের দ্বারা কাজটা হবে।

একটা উদাহরন দেখ-
একটা গ্রামে একটা সহজ সরল ছেলে বাস করত। সে যখনই কোন কাজ শুরু করত তখন সবাই তাকে বলত এটা তোকে দিয়ে হবে না। ফলে ছেলেটা কোন কাজই করতে পারত না।
একদিন সে তার এক বন্ধুকে নিয়ে খেলতেছে ,হঠাৎ তার বন্ধুটা পাশে কুয়ার মধ্যে পড়ে যায়। সে জোরে জোরে চিৎকার করে তার বন্ধুকে বাঁচানোর জন্য ডাকতেছে ।কিন্তু আশেপাশে কেউ নেই ,তাই তাকে কেউ সাহায্য করতে আসল না।
সে ছুটা ছুটি শুরু করল। হঠাৎ দেখতে পেল একটা বালতি রশিতে বাঁধা আছে সে সেই বালতিটা কুয়ার মধ্যে ফেলে তার বন্ধুকে ধরতে বলতেছে ।তার বন্ধুর ওজন প্রায়  তার সমান ছিল।কিন্তু তার যে শক্তি তাতে তার বন্ধুকে কুয়া থেকে তোলা তার অসম্ভব ছিল।তারপরও তার বন্ধু কে রশি ধরতে বলে সে উপরের দিকে টানতে থাকল এক সময় সে তার বন্ধুকে উপরে তুলতে সক্ষম হল।কারণ তার পাশে কেউ তাকে বলার ছিল না তোকে দিয়ে এটা হবে না। সে নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিল তার বন্ধুকে সে উপরে তুলবেই।তার এ বিশ্বাসই তাকে সফল করেছিল।

আমাদের চার পাশে এরকম হাজার জন আছে তারা আমাদের সর্বদা এটাই বলে তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। তাই এসকল লোকদের কাছ থেকে উপদেশ নেওয়া থাকে বিরত থাক।
তোমার যেটা পছন্দ হয় সেইটাই কর অন্য কারো কথায় কোন কাজ করে নিজেকে ব্যার্থ করনা। সর্বদা নিজেকেই বিশ্বাস কর।
Share Link Your Friends-

মঙ্গলবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০১৯

জীবনে উন্নতির জন্য আত্মবিশ্বাস নামক একটা জিনিস আপনার মধ্যে থাকতেই হবে

জীবনে উন্নতির জন্য আত্মবিশ্বাস নামক একটা জিনিস আপনার মধ্যে থাকতেই হবে-

সফল হতে হলে তোমাকে আগে ব্যার্থ হতে হবে, অর্থাৎ ব্যার্থতা থেকেই সফলতা আসবে। সফলতা বয়ে আনতে হবে তোমাকে আত্মশক্তি অর্জন করতে হবে।তোমার ইচ্ছা শক্তিকে আরও প্রখট করতে হবে।তাহলেই তুমি সফল হতে পারবে।

একদিন এক যুবক পার্কে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। সে তার ব্যবসায় লোস করেছে।মাথায় হাত দিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছে।
যাদের কাছে বাকীতে মালামাল এনেছে তারা টাকার জন্য তাকে নানার প্রকারে গালাগালি করতেছে। ভেবেই পাচ্ছে না কি করবে।মরে যাওয়া ছাড়া কোন পথ খোলা দেখতে পারছে না। হঠাৎ তার কাঁধে এক মধ্যবয়সী লোক হাত দিয়ে বলল তোমার কি হয়েছে  তোমাকে চিন্তিত মনে হচ্ছে।

আমার যা হয়েছে তা আপনাকে বলে লাভ নাই। তারপরও শুনি তোমার কি হয়েছে।রাগন্নিত কণ্ঠে বলল আমার এখন ৫ লাখ টাকা লাগবে আপনি কি আমাকে দিবেন। কিছু না ভেবে মধ্যবয়সী লোকটি তার পকেট থেকে একটা চ্যাক বের করে ৫ লাখ টাকার চ্যাক স্বাক্ষর করে যুবকে দিয়ে চলে গেলেন।আর বলল ঠিক ১ বছর পর আমাকে ৫ লাখ টাকা ফেরত দিবেন।বলে চলে গেল।


চ্যাক হাতে নিয়ে যুবক আচার্য  হলেন লোক্টি আমাকে চিনেন না তার পরও ৫ লাখ টাকা আমাকে দিলেন। সে চিন্তা করল যে আমাকে চিনে না সে যদি আমাকে ৫ লাখ টাকা দিতে পারে তাহলে আমি ভেঙ্গে পরছি কে? এবার সে তার আত্মশক্তিকে জাগ্রত করল আমি পারব না কেন। আমাকে পারতে হবে।

বাসায় গিয়ে ৫ লাখ টাকার চ্যাক আলমারিতে রেখে দিয়ে কঠোর পরিশ্রম করতে থাকে। তার আত্মবিশ্বাসের কারণে তাকে এবার আর পিছনে ফিরাতে হয় নাই।দিন দিন একজন ভালমানের ব্যবসায়ীতে পরিণত হল।দেখতে দেখতে ১ বছর হয়ে গেল।তার দেওয়া ৫ লাখ টাকার চ্যাক নিয়ে পার্কে বসে অপেক্ষা করতে থাকলেন।কখন মধ্যবয়সী লোকটা আসবে.২-৩ ঘন্টা পর লোকটি আমার কাছাকাছি আসল কিন্তু দুইজন নার্স তাকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। আমি ছুটে গেলাম সেখানে নার্সদেরকে বললাম ওনার কি হয়েছে।
তার মানে ওনি আপনাকে চ্যাক দিয়েছেন।হ্যা, কিন্তু কেন ওনি ঔ পাগলা গারতে থাকে ওখান থেকে পালিয়ে এসেছে।
তার মানে ওনি পাগল আমাকে চ্যাক দিয়েছেন তাও ভূয়া।
যাক,আমি তাহলে শূন্য হাতে আমার ব্যবসা আবার শুরু করেছিলাম।

হাঁ এটাই হল আত্মবিশ্বাস যেটা আপনাকে শুধু সাহসই যোগাবে।
তাই হাজার বারে ব্যার্থ হওয়া থমাস আলভা এডিসন আমাদের জন্য আলোর ব্যবস্থা করে দিলেন।
দুই নাফিতই হল উড়োজাহাজের আবিষ্কারক।
আপনি তো ওনেক ভাল আছেন।আপনাকে দিয়ে কেন হবে না।
আত্মবিশ্বাস রাখুন একদিন আপনিও সফল হবেন।

Share Link Your Friends-

শহরের পাশের গ্রাম


আমি ও তপু মিলে ঠিক করলাম। কয়েকদিনের  জন্য গ্রামে ঘুরতে যাব। ব্যাস, যেই কথা সেই কাজ। শহরের থেকে বেশী দূরে নয়। তাই সাইকেল নিয়ে বের হলাম।কারণ সাইকেল চালানোর মজাটাই আলাদা। গ্রামে ঢুকা মাত্র অনেক লোকের সমারগম দেখলাম। ভিড় ঠেলে আমরা সামনের দিকে গেলাম।বা, একটা অদ্ভুদ টাইপের লোক বসে আছে। বলতেছে এখানে একটা কবর আছে।তোমরা কি মানুষ না অমানুষ। এত ভাল মাপের একজন আল্লাহর ওলীর কবর কে তোমরা নোংরা অবস্থায় রেখে দিয়েছে।তোমাদের কত পাপ হয়েছে তোমরা কি জান। এখনি এটা পরিষ্কার কর।


এতক্ষনে গ্রামের মাতাব্বর এসেছে। অচেনা লোকটি কে বলতেছে কে তুমি। আমি কে এটা জেনে তোমার লাভ নাই। আগে বল ওলীর কবর তোমরা নোংরা অবস্থায় রেখে দিয়েছে কেন? কি এখানে কবর আছে, আগে তো কেউ বলেনি।

অবশেষে স্থানটি পরিষ্কার করা হচ্ছে। একটা ছোট ঘর তৈরি করে মাজার বানানো হল। খাদেম হলেন অচেনা লোকটি।

গ্রামের অধিকাংশ লোক মূর্খ ছিলেন। তাদের মাঝে অক্ষর জ্ঞান নেই বললেই  চলে।তারা অন্ধবিশ্বাস নিয়ে গফুর এর বানানো কথিত কবর এর কথা বিশ্বাস করেছিলেন।

যাই হোক রাত হয়ে এসেছে , গ্রামের মাতব্বরের সাথে কথা হয়েছে তার বাড়িতেই আমাদের থাকার বন্ধবস্ত হবে। আমরা মাতব্বরের বাড়িতে গেলাম। বাড়িটা অনেক সুন্দর চারপাশটা খোলামেলা।মাতব্বর আমাদেরকে একটা ঘর দেখে দিয়ে চলে গেলেন।

আপনাদেরকে, বাবা ডাকতেছে খাওয়ার জন্য। একটা মাঝ বয়সী মেয়ের গলার আওয়াজ শুনে দরজার সামনে আসলাম। আমার সামনে পূণিমার চাঁদ। চোখ ফিরাতে পারছি না। একটু মুস্কি হাঁসি দিয়ে চলে গেল।পিছন পিছন গেলাম ।

রূপের কোন কমতি নাই। বাবা এলাকার মাতব্বর । অর্থকড়ির কোন অভাব  নাই। সাজসজ্জায় কাঠিয়ে যায় সারাদিন

খাবার রেডি , সবাই খাবার টেবিলে বসলাম। দোস্ত আমি কি দেখতেছি মেয়ে তো নয় যেন পুণিমার চাঁদ। খাব আর কি চাঁদ দেখতেই সবার খাওয়া শেষ।

ঘুম তো আসে না। স্বপ্ন দেখতে থাকি পুণিমার চাঁদকে নিয়ে। ঈশ, নাম টাও শোনা হল না। এ পাশ ও পাশ করতেই সকাল হয়ে গেল।

ব্রাশটা হাতে নিয়ে বাড়ির বাইরে গেলাম। চোখের সামনেই পুণিমার চাঁদ পড়ল। আমতা আমতা করে বললাম আপনার নাম কি। একটা হাঁসি দিয়ে বলল জামিলা। আপনার? ওহ আমার নাম জামাল।

আপনি এত সুন্দর কেন? কি। না মানে, চলেন সামনে হাঁটি । ওহ আচ্ছা চলেন।
আপনাদের গ্রামটা অনেক সুন্দর তার চেয়ে বেশী সুন্দর আপনি।কি আমি সুন্দর , আপনার মাথা ঠিক আছে তো। আমি দেখতে এতটা সুন্দর না আপনি যা ভাবছেন। কথা বলতেই থাকি কথা তো আর ফুরাই না।

সকালের খাবার শেষ করে আমি , তপু ও জামিলা বের হলাম কথিত মাজার টা ঘুরে দেখার জন্য। চারদিক থেকে লোকজন আসা শুরু করেছে। কেউ খালি হাতে আসে না, যে যা পারে তাই নিয়ে আসে।
কারো বাচ্চার অসুক, কারো বা বাবা-মা মারা গেছে । একেক জনের একেকটা করে অছিলা।

গফুর এর আর অভাব নাই। নানা অছিলায় নানান কিছু পাচ্ছে প্রতিদিন। প্রতিদিন নানা কৌশলে মানুষকে মিথ্যা বুঝিয়ে অর্থকড়ি হাতিয়ে নিচ্ছে।

এই কদিনে জামিলার সাথে আমার খাতিরটা ভালবেই জমে ওঠেছে। দুজন দুজনের কাছে নিজেকে তুলে ধরতেই ব্যাস্ত থাকতাম। দুজন দুজনের মাঝে হারিয়ে গিয়েছি। সর্বদা একজন আর একজন কে না দেখলে থাকতে পারতাম।

বেশ কয়েকদিন হয়ে  গিয়েছে এই অচিনপুর গ্রামে আসা। ফিরতে হবে শহরে। কিন্তু কিভাবে ফিরব যাকে এক মূহুর্ত না দেখলে অস্থির লাগে। তাকে ছড়া ফিরব কিভাবে।
আমার চলে যাওয়ার কথা শুনে জামিলা কাঁদতেছে।
জামিলাকে বললাম ভাল থেকো চলে যাচ্ছি। হাউ মাউ করে কান্না শুরু করে দিয়েছে। আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারব না। আমিও। আবার আসব তোমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য।অপেক্ষায় থেকো।

তুমি কোন ভুবনের চাঁদ হয়ে,
এসেছিলে আমার আকাশে।
চলে গেছো আবার সেই ভূবনে
লোভী বানিয়েছ মোরে

কিছু ভাল লাগতেছে না সারাদিন জামিলাকে নিয়ে ভাবতে থাকি। ঠিকঠাক মত খাওয়া দাওয়া করি না।  নিজেকে অনেক বোরিং লাগতেছে। মা-বাবা আমাকে নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেছে। তাদের সাথে জামিলার কথা শেয়ার করলাম।

মা, তুই জীবনে ওই মেয়ের কথা ভূলেও মুখে আনবি না। আমি গ্রামের মেয়েকে এই বাড়ির বউ করে নিয়ে আসব না। আমার এক কথা।
বাবা, তুই সত্তি ওই মেয়ে ভালবাসিস । হুম ,বাবা । এই নে গাড়ির চাবি এখনি যা ওই মেয়েটির কাছে হয়তবা তোর জন্য পথ চেয়ে বসে আছে। বাবাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করলাম। বাবা তুমি অনেক ভাল।


আমি অচিনপুরে দিঘির কাছে যেতেই চোখে পড়ল জামিলাকে, গাছের নিচে একা বসে আছে। জামিলা বলে ডাক দিতেই চমকে উঠেই আমাকে জড়িয়ে ধরল।
কাঁদতে কাঁদতে বলতেছে আগে আমাকে বল আমাকে আর একা রেখে কোথাও যাবে না। হুম, আমার পাগলী বউটাকে রেখে আর কোথাও যাব না। কি? আমরা তো বিয়ে করি নাই, বউ হলাম কোথা থেকে। করি নাই বটে আজকে করে নিব। তাই আগে থেকে বউ ডাকার অভ্যাস করতেছি। ছাড়ো অসভ্য কেউ দেখে ফেলবে।দেখলে কার কি আমি আমার বউকে বুকের মধ্যে ধরে আছি।ঈশ, কত সখ। আমার গলা শক্ত করে ধর। জামিলাকে কোলে করে তুলে নিয়ে গাড়িতে নিয়ে বসালাম।


সেই দিনের দেখা পূণিমার চাঁদ এখন শুধু আমারি…….

Share Link Your Friends-

ক্যারিয়ার vs বিয়ে


ক্যারিয়ার vs বিয়ে

আমরা ক্যারিয়ার গড়ার পর বিয়ে করতে চাই বা বাবা-মা বিয়ে করাতে চানক্যারিয়ার গড়ার আগে বিয়ে করলে ক্ষতি কি বা ক্যারিয়ার গড়ার পর বিয়ে করলে লাভ কি? এমন প্রশ্ন কিন্তু থেকে যাই অনেকের মনে

আমরা ছাত্র অবস্থায় প্রেমে বিভর হয়ে পড়িপ্রেমিকার সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলে দিন রাত কাটিয়ে দেইতাতে লাভ কি? বরং ক্ষতিটাই বেশি
মোবাইলে অতিরিক্ত কথা বলার কারণে কাঁনের ক্ষতি হবে সঙ্গে ব্রেইনের
প্রেমিকা কে নিয়ে সব সময় চিন্তা লেগেই থাকে
মোবাইলে কথা বলার কারণে টাকা নষ্ট হয়
মূল্যবান সময় নষ্ট হয়
প্রেমিকাকে সব সময় দেখার ইচ্ছায় কোন কাজে মন বসে না

আমরা যদি প্রেম করতে পারি তবে বিয়ে করতে পারব না কেন? বিয়ে করলে সমস্যা টা কোথায়

বিয়ে করলে কোন সমস্যা নাইপ্রেম করার চেয়ে বিয়ে করাই ভাল হবে

 অনেকে বলে বিয়ে করলে বউয়ের চাহিদা মেটাতে অনেক টাকা-পয়সা লাগে বা টাকা-পয়সা ছাড়া সংসারে সুখ আসবে নাএজন্য ক্যারিয়ার আগে গড়তে হবেহ্যাঁ,ক্যারিয়ার অবশ্যই গড়তে হবে
তবে তা বিয়ের আগেই গড়তে হবে এমন কথা না

সেলিম সবে মাত্র অর্নাস শেষ করেছে,বাবা-মা এক প্রকার জোর চাপিয়ে সেলিমকে বিয়ের প্রিড়িতে বসাই

সেলিমের বউ খুব আদর্শবান মেয়ে ছিলস্বামীর সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতেনস্বামীর সুখ-দুখের ভাগীদার হয়েই পাশে ছিলেন সব সময়এতে সেলিম খুব তাড়াতাড়ি একজন ভাল মানের ব্যবসায়ী হতে পেরেছেনতাই সেলিম আজ তার বউয়ের কাছে কৃতজ্ঞ
এখানে সেলিম ক্যারিয়ার গঠন না করেই বিয়ে করেনতাতে কি তার ক্যারিয়ার গঠন করতে সমস্যা হয়েছেবরং সেলিম দ্রুত গতিতে ক্যারিয়ার গঠন করতে পেরেছেন তার বউয়ের কারণেএতে তার বিয়ে করাটাই ভাল হয়েছে

অপরদিকে রাজিব আজ একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির ম্যানেজার পদে সততার সাথে দায়িক্ত পালন করে যাচ্ছেনতার বাবা-মা তাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য পাগল পাড়া হয়েছেনপারিবারিকভাবে তার বিয়ে সম্পূর্ণ  হয়েছেবিয়ের কিছুদিন পর বউয়ের নানা চাহিদা মেটাতে রাজিব কে হিমশিম  খেতে হচ্ছেমাঝে মধ্যে ভাবেন বিয়ে করে কি না ভূলটাই করলামবিয়ে না করাই ভাল ছিলএ নিয়ে বউয়ের সাথে মাঝে মধ্যে ঝগড়া বিভাদ লেগেই থাকতবউ রাগ করে মাঝে মধ্যে বাপের বাড়িতে তো চলেই যেতোএভাবে কাটতে থাকে রাজিবের বিবাহিত জীবন

রাজিব ক্যারিয়ার গঠন করেই তো বিয়ে করলেন কিন্তু সংসার করতে এত জামেলা কেন?

আসল কথা হল তোমার ক্যারিয়ার  জীবনে  সুখ নির্ভর করবে তোমার জীবনে যে মেয়েটা বউ হয়ে আসবেসে যদি তোমাকে বুঝতে শিখে তাহলেই তুমি সুখময়  সফল  হতে পারবে নতুবা তুমি দূরস্বপ্নময় বিপদগামী

বউটা যদি তোমাকে বুঝতে পারে তাহলেই তোমার ক্যারিয়ার উজ্জল নতুবা তুমি ধ্বংস  
  


Share Link Your Friends-

সোমবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০১৯

সফল হওয়ার কৌশল

সফল হওয়ার কৌশল
আমরা সবাই সফল হতে চাই।কিন্তু খুব কম লোকই আছে যারা সফল হতে পারে না। যারা আমার লেখাটি পরতেছো তাদের মধ্যে এমন কেউ কি আছো সে সফল হতে চাই না। যেকেউ না কেউ নেই।আমরা প্রত্যেকে জীবনে সফল হতে চাই।কার কাছে ভাল সাস্থই সফল, কারো কাছে বিশাল ধন সম্পদই সফল,কার কাছে খুশি থাকাটাই সফল।কিন্তু এমন কোন ব্যক্তি নেই যে সফল হতে চাই না।প্রত্যেকে সফল হতে চাই।কিন্তু সমস্যা খুব কম লোকই সফল হোন।তার পিছনে ওনেক গুলো মূল কারন আছে-তার মধ্যে সব থেকে যে বড় কারনটা আছে সেটা আমি তুলে ধরব।

তবে মূল বিষয়ে যেতে হলে দুটি সমস্যা আছে,একটা উদাহরণ দেখি-একটি গ্লাসে আমি পানি ঢালার চেষ্টা করছি তো কি হল যখন গ্লাস্টি ভরে গেল তার মধ্যে কি আর পানি ধরছে না ধরছে না।এখন সব পানি বাইরে পড়ে যাচ্ছে।এটাই হল আমাদের প্রথম সমস্যা।তো আমাদের প্রথমে যেটা করতে হবে তা হল আবার আমাদের গ্লাস্টি খালি করতে হবে।কারন এটা এক দমি সত্যি নয় যেটা আমরা এত দিন ধরে শুনে আসছি,জেনে এসেছি বা মেনে এসেছি সেটা ১০০% বাস্তবের সাথে মেনে যাবে।আমরা এত দিন ধরে যেটা বিশ্বাস করে এসেছি আমাদের দুনিয়াটা সে রকমই হবে এটা কখনো সত্য নয়।সেই আদিম কাল থেকে মানুষ কি দেখে এসেছিল।সকাল বেলা সূর্য একদিকে উটত আর ঘুরতে ঘুরতে অন্য দিকে চলে যেত।বছরের পর বছর মানুষ এটাই দেখে আসছে। মানুষ এটাই বিশ্বাস করতে শুরু করল যে সূর্য চারদিকে ঘুরছে আর পৃথিবী এক জায়গায় স্থির।কিন্তু একজন রাতারাতি আবিষ্কার করল যে সূর্য এক জায়গায় স্থির আছে আর পৃথিবী তার চারপাশে ঘুরতেছে। তবে মানুষ যা বিশ্বাস করতো সেটা যদি মিথ্যা হতে পারে। তো তার সামনে তোমার বিশ্বাস কি হতে পারে।

তাই কিছুক্ষনের জন্য তোমার মগজের গ্লাস্টাকে ফাঁকা করে নাও।যাতে আমি যে কথা গুলো বলব সেগুলো তোমার মাথায় জায়গা করে নিতে পারে।
২য় সমস্যাটা হলো তোমাকে আমার লেখাটি পরার সময় একবারেই পড়তে হবে যাতে আমি কি বোঝাতে চেয়েছি তোমার বুঝতে যাতে সমস্যা না হয়।

তাহলে মূল বিষয়ে আসা যাক, নিচের এগুল কিসের বীজ জান-


এগুলো আপেলের বীজ কিন্তু বীজটা কি দেখে মনে হচ্ছে এটা আপেল বা আপেলের গাছ।আমরা একটা বীজকে দেখে কখনো মনে করি না এটা একটা বিশাল আকারের গাছ।কিন্তু সত্যি কথা এটাই যত বড় গাছ হোক না কেন এই ছোট বীজ থেকেই হয়।

সব বীজ একটি বিশাল আকারের গাছ হওয়ার ক্ষমতা রাখে।কিন্তু সব বীজ গাছ হয় না।কিন্তু তেমনি আমরা প্রত্যেকে একেকটা করে বীজ তবে কেন গাছ হতে পারি না।অর্থাত সফল হতে পারি না।প্রত্যেকে সফল হওয়ার ক্ষমতা রাখি।কিন্তু খুব কম জন আছে তারা জীবনে সফল হয়।তবে এর পিছনে বেশ কয়েকটা কারন রয়েছে।
১। বীজ থেকে গাছ হতে গেলে প্রথমে উর্বর জমি লাগে।তেমনি সবার আগে আমাদের বিশ্বাসকে মজবুত করতে হবে।কারন প্রতিদিন আমাদের মাথায় ৬০০০ হাজারেও বেশি চিন্তা আসে।ছোট বেলা থেকে আমাদের ওনেক রকম বিশ্বাস আছে। যার ফলে আমাদের নতুন করে আর বিশ্বাস কিছু হয় না। তবে তুমি বল অউর্বর জমিতে যতই বীজ বপন করনা কেন বা হাল চাষ করনা কেন কোন ফসল হবে না।আর এটাই আমরা করছি প্রতিদিন যার ফলে আমরা বীজ থাকে গাছ হতে পারছি না।
আমরা ছোট বেলা থেকেই শুনে এসেছি-
>> টাকা গাছে ধরে না।
>> সফল হওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।

২। সবার আগে আমাদের বিশ্বাসকে মজবুত করতে হবে।যাতে কখনো না বলি এটা আমাকে দিয়ে হবে না। যতক্ষন না হবে ততক্ষন লেগে থাকো তা ১ দিন বা ২ দিন বা কয়েক বছর হতে পারে। তুমি কি জান তোমার পড়াশুনা করতে এ পর্যন্ত কত বছর ব্যয় করেছো। নিজেকে প্রশ্ন কর উত্তর পেয়ে যাবে।

৩। এবার উর্বর জমি ফেলে রাখলে চলবে না। আমাদের বীজ বপন করতে হবে।কিন্তু আমাদের সেই বীজটা খুজতে হবে যেটা আমরা চাষ করতে চাই।কিন্তু আমরা ভূল জায়গায় ভূল বীজ বপন করে ফেলি।
যেমনঃ আম গাছের বীজ বপন করলে তো আর জাম ধরবে না। আমই ধরবে।

তাই আমাদের ভিতরের বীজটাকে খুজতে হবে আপনি কি চান,আপনি কি হতে চান,আপনার ভিতরে কি আছে।
এটা আমাদের আগে জানতে হবে।
ধরুন একটা ছেলে ছোট বেলা থেকে তার খেলনা গাড়ি গুলো খুলে আবার লাগিয়ে দিয়ে ঠিক করে,এক সময় তার বাসার কম্পিউটার খুলে আমার লাগিয়ে দিতে পারে।কিন্তু তার বাবার ইচ্ছা তার ছেলে ডাক্তার হবে।কারন তার মামাতো ভাই আজ ডাক্তারি করে প্রচুর টাকা আয় করেছে বা টাকার গাছ তৈরি করেছে তাই সে ছেলেকে ডাক্তার বানাবে।কিন্তু আপনি বলুন সে ছোট থেকে যে কাজ করেছে তাতে সে ডাক্তার হলে কতটুকু সফল হতে পারবে।সে যদি ইঞ্জিনিয়ার হয় তবে এক সময় বিমান খুলে আবার লাগিয়ে ঠিক করার ক্ষমতা রাখতে পারবে।
কিন্তু ছেলেটা তার ইচ্ছা পূরন করতে পারছে না। এটাই আমাদের আসল সমস্যা।

যেটা তোমার ভিতর থেকে করতে ইচ্ছা করে তুমি সেইটাই কর।তাতে তুমি আনন্দ করে তোমার কাজটা করতে পার। তুমি যেটা করতে পছন্দ কর সেইটাই কর।তবে তুমি যা কিছু কর না কেন সেটা যেন অন্যের জন্য না হয়।

৪। তুমি যখন তোমার বীজটা পেয়ে গেলে আর দেরি করনা তুমি বপন করে দাও আর হাল চাষ শুরু কর।তবে সব সময় পজেটিভ চিন্তা করবে কখনো নেগেটিভ চিন্তা করবে না। কাজটাতে আদা জল খেয়ে লেগে পড়ে যাও।তুমি তোমার ঠিক করা কাজটার উপর জ্ঞান নিতে থাকো। ৯৯% মানুষ এই জায়গায় এসে হাল ছেড়ে দেয়।তোমার ইচ্ছার জন্য অ্যাকশান নাও।থেমে থেকো না।যদি তোমার সত্যিকারের ইচ্ছা হয় তবে তুমি সফল হবেই।

৫।মনে রাখবে কেউ একা একা বড় হতে পারে না। তাই তোমার কাজটা অন্যের সাথে শেয়ার করতে হবে।যদি তুমি শেয়ার করে তবে তুমি নিজেকেই সাহায্য করলে।
Share Link Your Friends-